<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Top News &#8211; Faruk Munir</title>
	<atom:link href="https://farukmunir.com/category/top-news/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://farukmunir.com</link>
	<description>Journalist</description>
	<lastBuildDate>Tue, 12 Dec 2023 19:28:41 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.4.2</generator>
	<item>
		<title>‘টিচার থেকে চিটার’ ইয়াসমিনা, রূপের যাদু—কথার মায়ায় মানুষকে বসিয়েছেন পথে</title>
		<link>https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b8/</link>
					<comments>https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Faruk Munir]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Oct 2023 17:26:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Human Rights and Crime]]></category>
		<category><![CDATA[Top News]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://farukmunir.com/?p=1385</guid>

					<description><![CDATA[ভুক্তভোগীদের বরাতে এক পুলিশ কর্মকর্তা চট্টগ্রাম খবরকে বলেন—‘ইয়াসমিনা হকের কথায় একটা সম্মোহনী ক্ষমতা আছে। যাদেরকে তিনি টার্গেট করেছেন তাদের টাকা পয়সা হাতিয়ে পথে বসিয়েছেন। অনেকেই তার রূপের যাদুতেও আটকা পড়ছেন।’ঠিক এভাবেই সর্বজন শ্রদ্ধেয় পেশা ‘টিচার থেকে চিটার’ হওয়া ইয়াসমিনা হকের বিষয়ে বলছিলেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। নয়টি চেক প্রতারণা মামলার পলাতক আসামি ইয়াসমিনা হককে রাজধানী ঢাকার &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b8/"> <span class="screen-reader-text">‘টিচার থেকে চিটার’ ইয়াসমিনা, রূপের যাদু—কথার মায়ায় মানুষকে বসিয়েছেন পথে</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ভুক্তভোগীদের বরাতে এক পুলিশ কর্মকর্তা চট্টগ্রাম খবরকে বলেন—‘ইয়াসমিনা হকের কথায় একটা সম্মোহনী ক্ষমতা আছে। যাদেরকে তিনি টার্গেট করেছেন তাদের টাকা পয়সা হাতিয়ে পথে বসিয়েছেন। অনেকেই তার রূপের যাদুতেও আটকা পড়ছেন।’<br />ঠিক এভাবেই সর্বজন শ্রদ্ধেয় পেশা ‘টিচার থেকে চিটার’ হওয়া ইয়াসমিনা হকের বিষয়ে বলছিলেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।</p>



<p>নয়টি চেক প্রতারণা মামলার পলাতক আসামি ইয়াসমিনা হককে রাজধানী ঢাকার শাহজাহানপুর থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে বায়েজিদ থানা পুলিশ। তাকে সোমবার আদালতে সোপর্দ করলে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।</p>



<p>প্রতারক ইয়াসমিনা হক নগরীর একটি স্বনামধন্য স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। স্কুলের ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালনায় দেশের একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। সেই বাহিনীতে নিজের আত্মীয়-স্বজন আছে বলে মিথ্যা প্রচার করতেন। তাছাড়া উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ আছে বলে ইয়াসমিনা হক প্রতারণার জাল ফেলতেন। সেই জালে আটকা পড়েছেন অনেক অভিভাবক, যারা চান তার সন্তান একটি ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক।</p>



<p>এরকম প্রায় দেড় ডজন অভিযোগ জমেছিল স্কুল পরিচালনা পর্ষদের কাছে। বছর খানেক আগে গঠিত তদন্ত কমিটি সেসব অভিযোগের সত্যতা পেলে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।</p>



<p>ইয়াসমিনা হকের গ্রেপ্তারের খবরে তার সাবেক সহকর্মীরা আফসোস করে বলেন, কত সুন্দর একটা চাকরি, নিশ্চিত জীবন। রাতারাতি বড় লোক হওয়ার লোভ তাকে শেষ করেছে।</p>



<p>চাকরি হারিয়েও দমেননি প্রতারক সুন্দরী ইয়াসমিনা হক। বেকারদের টার্গেট করে নেমে পড়েন মাঠে। চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বিভিন্নজন থেকে টাকা হাতিয়ে দিতেন চেক। আজ-কাল এভাবে চাকরি না পেয়ে প্রতারিত ব্যক্তিরা আদালতের দারস্থ হন। আদালত ৯টি চেক প্রতারণা মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।</p>



<p>বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফেরদৌস জাহান বলেন, বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন অংকের অর্থ গ্রহণ করেন ইয়াসমিন। তারা প্রতারিত হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। ৯টি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে তাকে আমরা ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছি।</p>



<p>সংশ্লিষ্টরা জানান, যাদের থেকে টাকা নিয়ে ইয়াসমিনা হক চেক দিয়েছেন তারা আদালতের ধারস্থ হতে পেরেছেন। স্কুল ভর্তির কথা বলে যাদের সাথে প্রতারণা করেছেন তারা তাদের টাকা ফেরত চাওয়ার সুযোগ পাননি, তার চাকুরিচ্যুতিটাই শান্তনা। যারা রূপে মজেছেন তারাও চক্ষু লজ্জায় কাউকে কিছু বলতে পারছেন না। তাদের দাবী ইয়াসমিনা হকের স্বামীও তার প্রতারণার অংশীদার।</p>



<p>ইয়াসমিনা হক চাকরির সুবাদে বায়েজিদ থানার লিংক রোডে বসবাস করলেও তার বাড়ি চট্টগ্রামের বাইরে।</p>



<p><em>প্রতিবেদনটি</em> <em>চট্টগ্রাম</em> <em>খবরে</em> <em>প্রকাশিত</em> <em>হয়েছে</em></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শঙ্খপাড়ের বার্মা কলোনিতে ১০ সহস্রাধিক রোহিঙ্গার আবাস</title>
		<link>https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%b6%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%96%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%b6%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%96%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Faruk Munir]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Oct 2023 17:25:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Top News]]></category>
		<category><![CDATA[Trafficking]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://farukmunir.com/?p=1383</guid>

					<description><![CDATA[চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কের দোহাজারী ব্রিজের দক্ষিণ পাশ থেকে নদীর পাড় ঘেঁষে পশ্চিম পাশে গড়ে উঠেছে বিশাল বস্তি। যাকে বার্মা কলোনি বা রোহিঙ্গা বস্তি বলে সবাই চিনে। এই বস্তিতে প্রায় ৩ হাজারের বেশি রোহিঙ্গার বসবাস। এক সময় এই সংখ্যা দ্বিগুণ ছিল। তাদের একটা অংশ কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে ফেরত গেলেও অনেকেই স্থানীয়দের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%b6%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%96%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a4/"> <span class="screen-reader-text">শঙ্খপাড়ের বার্মা কলোনিতে ১০ সহস্রাধিক রোহিঙ্গার আবাস</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কের দোহাজারী ব্রিজের দক্ষিণ পাশ থেকে নদীর পাড় ঘেঁষে পশ্চিম পাশে গড়ে উঠেছে বিশাল বস্তি। যাকে বার্মা কলোনি বা রোহিঙ্গা বস্তি বলে সবাই চিনে। এই বস্তিতে প্রায় ৩ হাজারের বেশি রোহিঙ্গার বসবাস। এক সময় এই সংখ্যা দ্বিগুণ ছিল। তাদের একটা অংশ কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে ফেরত গেলেও অনেকেই স্থানীয়দের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়রা।</p>



<p>কলোনিতে আছে রোহিঙ্গাদের বেশ কিছু দোকান। পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও দোকান পরিচালনা করেন। অলস বিকেলে দোকানগুলো ভরপুর থাকে রোহিঙ্গা পুরুষদের আড্ডায়।</p>



<p>ষাটোর্ধ রোহিঙ্গা নাগরিক মো. ইউনুছ চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে জানালেন, ২৫ থেকে ২৬ বছর আগে তিনি মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে এসেছেন। কোরআনে হাফেজ ইউনুছের দুই ছেলেও কোরআনে হাফেজ। দুজনই ঢাকায় চাকরি করেন। মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন আরেক রোহিঙ্গা যুবকের সাথে। মেয়ের স্বামীর পরিবার টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকেন।</p>



<p>রোহিঙ্গা নারী শামসুন নাহার জানালেন, বয়সের ভারে তার স্বামী এখন কিছু করতে পারেন না। দুই ছেলে দিনমজুরের কাজ করে। ‘এ দেশেত আসছি সাত-আস্ট বছর হবে’—জানালেন তিনি। আগ থেকে যারা এখানে ছিল তাদের মাধ্যমেই কক্সবাজার পাড়ি দিয়ে বার্মা কলোনিতে স্থান হয় তাদের। বার্মা কলোনিতে আসার আগে কিছু দিন হ্নীলায় তারা অবস্থান করেছিলেন বলেও জানান তিনি।</p>



<p>২০ থেকে ২২ বছরের যুবক সেলিম বলেন, ‘আমার জন্ম এখানে। ক্ষেতে কামলার কাজ করি, সুইপারের কাজ করি। পেলাস্টিক (প্লাস্টিক), ভাঙ্গা-চোরা মালামাল নিয়ে আসি, বেচি।’</p>



<p>কলোনির ভিতরে সরেজমিনে দেখা যায়, শিশুরা দলবদ্ধভাবে খেলছে। তাদের একটি দলের নেতা করিম। করিমের পিতাও সুইপার। করিম জানায় ‘মুক্তি ইসকুলত পরি’। তার দেখানো পথে এগিয়ে গিয়ে দেখা যায়, ‘পশ্চিম কাটগড় মুক্তি স্কুল’ নামে একটি স্কুল আছে। যা বাস্তবায়ন করেছে ‘মুক্তি কক্সবাজার’ এনজিও।</p>



<p>পেশায় পিকআপ চালক স্থানীয় বাসিন্দা আহমাদুর রহমান বলেন, ‘শঙ্খপাড়ের দুই বার্মা কলোনিতে দশ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা আবাস গড়েছে। এতে আমাদের নানান অসুবিধা হচ্ছে। প্রথমত আমাদের কর্মসংস্থানে সমস্যা হচ্ছে। স্থানীয় দিনমজুররা অনেকটা কর্মহীন। দ্বিতীয়ত কলোনিতে ইয়াবা বেচাবিক্রির পাশাপাশি অসামাজিক কর্মকাণ্ডও চলে। এতে এলাকার যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা শঙ্কিত। তাই তাদের ক্যাম্পে ফেরত না নিলে আমরা বড় সংকটে পড়বো।’</p>



<p>একাধিক ব্যক্তির কথায় উঠে আসে কলোনিতে অসামাজিক কার্যকলাপের সব খবর থাকে সবজিব্যাপারি জাফর সওদাগরের কাছে। জাফরের দোকানে গিয়ে তার সাথে আলাপ করলে প্রথমে কিছুই জানে না বলে জানান। পরে স্বীকার করলেন কিছু কিছু ঘটে। এতটুকু বলে তিনি টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে প্রায় একঘন্টায়ও দোকানে ফিরে আসেননি। তার রহস্যজনক চলে যাওয়াটা পরিস্কার হয়েছে সূর্য অস্ত যাওয়ার সাথে সাথেই। অপরিচিত যুবকদের আনাগোনা বাড়ার পাশাপাশি কলোনির ঘরগুলোর বাইরে সাজগোজ করা তরুণীদেরও আনাগোনা শুরু হয়।</p>



<p>কলোনিতে ঘর তৈরি করে ভাড়া দিয়েছেন হাসান আলী। তিনি কেরানিহাট ফাজিল মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। হাসান আলী জানান, তার ২০টি ঘরে রোহিঙ্গারা ভাড়া থাকতো। চলতি বছরের বন্যায় ঘরগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় এখন ছয়টি পরিবার আছে। বাকিরা অন্যত্র চলে গেছে।</p>



<p>হাসান আলী আরো জানান, ১৯৯২ সালের পর থেকে শঙ্খ নদীর দুই পাড়ে রোহিঙ্গারা আবাস গড়ছে। শঙ্খের উত্তর পাড়ের অংশ চন্দনাইশ, দক্ষিণ পাড়ের অংশ সাতকানিয়া। দুই পাড়ের দুই কলোনিতে ৫ শতাধিক পরিবারের বসবাস। সরকার যে সিদ্ধান্ত দেবে আমরা এলাকাবাসী সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকারকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।</p>



<p>এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের যাতে ভোটার তালিকাভুক্ত করা না হয় সেজন্য আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সতর্ক করেছি। সচেতনতা সৃষ্টির জন্য মাইকিং করেছি। বেশ কিছু রোহিঙ্গা চিহ্নিত হওয়ার পর আমরা তাদের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরতও পাঠিয়েছি। চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া বা জেলার অন্যান্য জায়গায় যদি রোহিঙ্গা থাকে তদন্তসাপেক্ষে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।</p>



<p><em>প্রতিবেদনটি</em> <em>চট্টগ্রাম</em> <em>প্রতিদিনে</em> <em>প্রকাশিত</em> <em>হয়েছে</em></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%b6%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%96%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্পট কর্ণফুলী—ভুয়া পরিচয়ে রোহিঙ্গার স্থায়ী নিবাস যেভাবে চট্টগ্রাম!</title>
		<link>https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a/</link>
					<comments>https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Faruk Munir]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Oct 2023 17:23:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Top News]]></category>
		<category><![CDATA[Trafficking]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://farukmunir.com/?p=1381</guid>

					<description><![CDATA[চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার জামালপাড়া। পাড়ায় প্রবেশ করতেই প্রথম বাড়িটি তিনতলা ভবন। মালিক হারুন সরদার। ওই ভবনে প্রায় সাত বছর ধরে বসবাস করছেন মিয়ানমার থেকে আসা রহমত উল্যাহর পরিবার। রহমত উল্যাহ বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে পাড়ি জমিয়েছেন মালয়েশিয়া। তার চার সন্তানকে নিয়ে স্থানীয় পরিচয়ে বসবাস করছেন তার স্ত্রী সাজেদা। বড় মেয়ে কওসার ও মেজ মেয়ে আজিদা &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a/"> <span class="screen-reader-text">স্পট কর্ণফুলী—ভুয়া পরিচয়ে রোহিঙ্গার স্থায়ী নিবাস যেভাবে চট্টগ্রাম!</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার জামালপাড়া। পাড়ায় প্রবেশ করতেই প্রথম বাড়িটি তিনতলা ভবন। মালিক হারুন সরদার। ওই ভবনে প্রায় সাত বছর ধরে বসবাস করছেন মিয়ানমার থেকে আসা রহমত উল্যাহর পরিবার। রহমত উল্যাহ বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে পাড়ি জমিয়েছেন মালয়েশিয়া। তার চার সন্তানকে নিয়ে স্থানীয় পরিচয়ে বসবাস করছেন তার স্ত্রী সাজেদা। বড় মেয়ে কওসার ও মেজ মেয়ে আজিদা বিবি পড়ে অষ্টম শ্রেণিতে, সেজ মেয়ে ইসমত আরা সপ্তম শ্রেণিতে আর সবার ছোট সুমাইয়া পড়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে। সবার আছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধন সনদও।</p>



<p>এভাবে বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমার থেকে এসে রোহিঙ্গারা চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় মানুষের সাথে মিশে যাচ্ছে। অনেকের কাছেই আছে জন্ম নিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও স্মার্টকার্ড। জায়গা কিনে বিল্ডিং করেও বসবাস করছে অনেক রোহিঙ্গা। অর্থের বিনিময়ে এদের সহায়তা দিচ্ছে রাজনৈতিক নেতা, সরকারি অনেক কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।<br />চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।</p>



<p>আরমাস খাতুন তার মেয়ে রমজান বিবিকে নিয়ে বসবাস করছেন কর্ণফুলী উপজেলার জামালপাড়ার আরেকটি পাকা ঘরে। দুইবার গিয়েও তার ঘরের দরজা বন্ধ পাওয়া যায়। তবে প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন তার দুই ছেলে ফয়েজ ও শফিউল মালয়েশিয়া গিয়েছেন বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে। তার আরেক ছেলে সিরাজ প্রায় ১০ বছর বাবুর্চির কাজ করছেন হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ক্যান্টিনে। ক্যান্টিনে গিয়ে বাবুর্চি সিরাজকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘ভাইয়ারা মাঝে মধ্যে টাকা পয়সা পাঠান। এক বোনের বিয়ে দিয়েছি বাঁশখালীতে।’</p>



<p>ষাটোর্ধ মো. ইউনুছ। তার ৩ ছেলের বড়জন ওসমান পিকআপ চালক। অপর দুই জন কবুতর-ইঁদুরের খাঁচা তৈরি করেন। ইউনুছের পেশাও ছিল একই। তারা জায়গা কিনে বিল্ডিংও তৈরি করেছেন জামালপাড়ায়। ইউনুছের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই জায়গা আমার বাপের আমল থেকে আমাদের। নিজেদের জায়গায় ঘর তৈরি করেছি।’<br />তিনি জানালেন, ১৯৬৩ সালে তারা মিয়ানমার থেকে এসে এখানে বসবাস করছেন।</p>



<p>হারুন সরদারের বড় ভাই রহিম উদ্দিনের কাঁচা কলোনিতে থাকেন জাফর আহমেদ। জাফর ফিশারিঘাট থেকে মাছ কিনে ভ্যানে করে গ্রামে বিক্রি করেন। তার বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন আরেক রোহিঙ্গা যুবকের সাথে। মেয়ে এবং মেয়ের জামাই সৌদি আরবে থাকেন। জাফরের বেয়াইরা থাকেন কক্সবাজারের উখিয়ায়। মেয়ে আর মেয়ের স্বামীর সাথে যোগাযোগ আছে জাফরের পরিবারের। টাকা পয়সাও পাঠান সৌদি আরব থেকে। জাফরের ছেলেরা এলাকায় কামলার কাজ করেন। মেয়ে তসলিমা পড়ে স্থানীয় এসএ চৌধুরী স্কুলে।</p>



<p>পাশের ঘরে থাকেন আইয়ুব। ষাটোর্ধ লোকটি ব্যাটারিচালিত রিক্সা চালান। তার দুই সংসার—প্রথম সংসারে চার মেয়ে এক ছেলে। ছেলে লোকাল বাসের হেলপার। এক মেয়ে স্বামীসহ সৌদি আরবে থাকেন। রাশেদা নামে আরেক রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ে করে হারুনের ভাই রহিমের কাঁচা কলোনিতে থাকছেন। রাশেদার সংসারে এক ছেলে এক মেয়ে। যৌবনে আইয়ুব তার পরিশ্রম দিয়ে এলাকার মানুষের সহানুভূতি পেয়েছেন। একাই একাধিক শ্রমিকের সমান কাজ করে দিতেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেলো আইয়ুবের নামে ইস্যু হয়েছে জাতীয় পরিচয়পত্রও।</p>



<p>এলাকাবাসী জানিয়েছেন আইয়ুবসহ কয়েকজন রোহিঙ্গার বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র তাদের কাছে থাকে না। এটি জমা রেখেছেন কর্ণফুলী আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এসএ সালেহর কাছে। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে এসএ সালেহ চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘জামালপাড়ায় রোহিঙ্গারা এসেছে প্রায় ৩০ বছর আগে। তারা এলাকার স্থানীয় মানুষের সাথে মিশে যাচ্ছে। অনেকেই জাতীয় পরিচয়পত্রও তৈরি করেছেন। আমি বারবার প্রতিবাদ করেছি। আমার ব্যাপারে যে অভিযোগ তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’</p>



<p>স্থানীয় শিকলবাহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হওয়ার আগে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের নাগরিক বানানো হয়েছে। আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর কাউকে জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি। আমার পরিষদের সকল সদস্য এবং কর্মকর্তারাও সতর্ক আছে। আগে যারা এসে এলাকায় স্থায়ী বসতি গড়েছেন তাদের ব্যাপারে সরকার যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন তা বাস্তবায়নে আমরা তৈরি আছি।’</p>



<p>এজে চৌধুরী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘এই এলাকায় বাসা ভাড়া দেওয়ার সময় সরকারি নিয়মে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দেখা হয় না। যে যার মতো ঘর ভাড়া দেয়। এলাকায় অনেকে আত্মীয়-স্বজন করে ওদের সেটেল্ড করেছেন। তাদের সংখ্যা ধারণার চেয়ে অনেক বেশি।’</p>



<p>এ বিষয়ে কর্ণফুলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যাতে ক্যাম্পের বাইরে থাকতে না পারে সেজন্য আমরা সতর্ক আছি। ইতোমধ্যে যাদের পেয়েছি আমরা ক্যাম্পে ফেরত পাঠিয়েছি।’ তবে দীর্ঘদিন বসবাসের কারণে স্থানীয়দের সাথে মিশে যাওয়া রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে কোন তথ্য নেই বলে জানান তিনি। তবে তথ্য পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানালেন তিনি।</p>



<p>কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা আবদুস শুক্কুর জানান, ‘উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে সকল নিয়মকানুন মেনে ৬ হাজার ২০ জন স্মার্ট কার্ডের আবেদন করেছিলেন। ছবি তোলার সময় আমি সশরীরে উপস্থিত থেকে ৭২ জন রোহিঙ্গা চিহ্নিত করেছি। তবে যারা আগে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছেন তাদের ব্যাপারে স্থানীয়দের কেউ নির্বাচন কমিশন কিংবা আদালতে অভিযোগ করলে তখন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।’</p>



<p>উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সর্বপ্রথম রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঘটে বাংলাদেশে। এরপর অনিয়মিতভাবে নানা সময়ে রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ঘটেছে। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোহিঙ্গা ১৯৯২ সাল এবং ২০০৩ সালে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। সর্বশেষ ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নির্যাতনের মুখে আরাকান থেকে সাত লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রায় ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। তবে রোহিঙ্গাদের বিশাল একটা অংশ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে।</p>



<p>প্রতিবেদনটি ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ প্রকাশিত</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চমেক শিক্ষার্থী আবিদকে পিটিয়ে হত্যার আসামি সব ছাত্রলীগ নেতাই খালাস</title>
		<link>https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%9a%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%9a%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Faruk Munir]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Oct 2023 17:22:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Human Rights and Crime]]></category>
		<category><![CDATA[Top News]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://farukmunir.com/?p=1379</guid>

					<description><![CDATA[ছাত্রলীগের হাতে ছাত্রাবাসে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদই প্রথম নিহত নন। তারও আট বছর আগে প্রায় একই কায়দায় এই দলের নেতাদের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) শিক্ষার্থী আবিদুর রহমান। ওই ঘটনায় আবিদের পরিবার মামলা দায়ের করে। অভিযোগ উঠছে, মামলার বাদিকে আদালতের কাছেও ঘেঁষতে &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%9a%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%aa/"> <span class="screen-reader-text">চমেক শিক্ষার্থী আবিদকে পিটিয়ে হত্যার আসামি সব ছাত্রলীগ নেতাই খালাস</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ছাত্রলীগের হাতে ছাত্রাবাসে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদই প্রথম নিহত নন। তারও আট বছর আগে প্রায় একই কায়দায় এই দলের নেতাদের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) শিক্ষার্থী আবিদুর রহমান। ওই ঘটনায় আবিদের পরিবার মামলা দায়ের করে। অভিযোগ উঠছে, মামলার বাদিকে আদালতের কাছেও ঘেঁষতে দেয়নি আসামিপক্ষ। বাদির অনুপস্থিতিতে আদালতে হত্যার উপযুক্ত কোন নথি উপস্থাপিত না হওয়ায় মামলা থেকে খুনে অভিযুক্তরা খালাস পান।</p>



<p>নিহত আবিদ চমেকে বিডিএস তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। আবিদ ছিলেন কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার উত্তর বড়ইতলী গ্রামের মৃত নুরুল কবির চৌধুরীর কনিষ্ঠ ছেলে।</p>



<p>আবিদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার মামা নেয়ামত উল্লাহ বাদি হয়ে ছাত্রলীগের ২২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরের বছর ফেব্রুয়ারিতে পুলিশ ১২ জনের নামে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। গত ১০ জুলাই চট্টগ্রাম পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস মামলার বিচার শেষে রায় ঘোষণা করেন। রায়ে লেখা হয়, ‘মফিজুর রহমান গংদের অত্র মামলার দায় হইতে খালাস প্রদান করা হইল।’</p>



<p>রায়ের বিষয়টি শুনে আবিদের ভাই জিল্লুর রহমান হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘সব কিছু থেকে আমাদের অন্ধকারে রাখা হয়েছে। ২০১২ সালে পুলিশ ১০ জনকে চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়ার পর চার্জশিটের বিরুদ্ধে আমরা নারাজি দিতে চেয়েছিলাম। আসামিপক্ষ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তা করতে দেয়নি। মামলার বাদি আমার মামাকে আদালতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দিতেও তারা দেয়নি। মামলাটি ছিল চট্টগ্রাম প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মামলাটির কোর্ট পরিবর্তন করে সাক্ষীদের অনুপস্থিতিতে রায়ের পর্যায়ে নিয়ে আসতে সহায়তা করেছে।’</p>



<p>তবে বাদিপক্ষের অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি এডভোকেট অশোক কুমার দাস বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষ যথেষ্ট চেষ্টা করেছে আসামিদের দোষী প্রমাণ করতে। মামলার সাক্ষীরাও সাক্ষ্য দিয়েছেন। কিন্তু জেরা-পাল্টা জেরায় শেষ পর্যন্ত অভিযুক্তরা দোষী প্রমাণ না হওয়ায় আদালত তাদের খালাস দিয়েছে। বাদিকে মামলার তারিখে আদালতে হাজির রাখতে আমি নিজে যোগোযোগ করেছি। কিন্তু উনি উপস্থিত হননি। এখন উচ্চ আদালতে আপিল করলেও রাষ্ট্রপক্ষ তাদের পক্ষে থাকবে।’</p>



<p>রায়ের বিষয় জেনে আবিদের আত্মীয় এডভোকেট রেদোয়ানুল হক শাকিল চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো। আদালত থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উত্তোলন করে হাইকোর্টের ছুটি শেষ হলেই আমরা আপিল করবো।’</p>



<p>উল্লেখ্য, মামলার এজহারভুক্ত আসামি ছিলেন চমেক ছাত্র সংসদের ভিপি মফিজুর রহমান জুম্মা, চমেক ছাত্রলীগ সভাপতি সোহেল পারভেজ সুমন, সাধারণ সম্পাদক বিজয় সরকার, চমেক ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হিমেল চাকমা, ফেরদৌস রাসেল, শান্ত দেব নাথ, রাশেদুর রহমান সানি, দেবাশীষ চক্রবর্তী, সালমান মাহমুদ সিদ্দিকী রাফসান, মাহফুজুর রহমান দিমান, মোস্তফা কামাল, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, ইশতিয়াকুল ইসলাম খান, ওহিদুর রহমান, রাশেদুল ইসলাম, নাভিদ আঞ্জুম তানভির, আসিফ কামাল, ইরফানুল হক শুভ, সিরাজুল আমিন, এসএম হারুনুর রশিদ, মিনহাজুর রহমান এবং সাইফুল আমিন। এদের প্রত্যেকেই কেউ চমেকের তৎকালীন ছাত্রলীগের নেতা, আবার কেউ ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রিত ছাত্র সংসদের নেতা ছিলেন।</p>



<p>মফিজুর রহমান জুম্মা, সোহেল পারভেজ সুমন, বিজয় সরকার, হিমেল চাকমা, ফেরদৌস রাসেল, শান্ত দেবনাথ, মাহফুজুর রহমান, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, দেবাশীষ চক্রবর্তী, মোস্তফা কামাল, রাশেদুর রহমান সানি ও সালমান মাহমুদ রাফসানকে অভিযুক্ত করে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করে আদালতে। এজাহারভুক্ত বাকি ১০ আসামিকে অভিযোগপত্র থেকেই অব্যাহতি দেয় পুলিশ।</p>



<p>আবিদের বন্ধুদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আবিদ ছাত্রদলকে গোছাতে সক্রিয় ছিলেন। কারণ তখন ছাত্রদলের চমেক কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল। যা সহ্য করতে পারেননি চমেক ছাত্রলীগের নেতারা। তাকে ২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর দুপুর ২টা, সন্ধ্যা ৭টা ও রাত ১০টায় তিন দফা নির্যাতন করে। নির্যাতনের পর সুযোগ না দিয়ে আবিদকে তার বোনের বাসায় পাঠিয়ে দেয়। যা আবিদ হত্যা মামলার এজাহারেও উল্লেখ আছে।</p>



<p>চার বোন তিন ভাইয়ের সাবার ছোট ছিল আবিদ। চকরিয়া উপজেলার বড়ইতলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে তিনি চমেকে ভর্তি হয়েছিলেন। আবিদ মেজ বোন মোরশেদা ইয়াসমিন, ছোটবোন রায়হান জান্নাত আর বড় বোন সাজেদা ইয়াসমিনের ছেলে শাফকাতকে নিয়ে নগরীর চকবাজার এলাকার ডিসি রোডে বসবাস করতেন। মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পর আবিদ ছাত্রাবাসে উঠেন। কিন্তু বাসা ছাড়েননি। এরই মাঝে মেজ বোনের বিয়ে হলে তিনিও পাশাপাশি বাসা নিয়ে বসবাস করতেন। আবিদ মারা যাওয়ার পর তার আরেক বন্ধুকে দিয়ে তার লাশ ছাত্রলীগ নেতারা মেজ বোনের বাসায় পাঠায়।</p>



<p>সেদিনের স্মৃতি হাতড়ে আবিদের মেজ বোনের স্বামী কামরুল হাসান সোহেল চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘১৯ অক্টোবর ২০১১ আমার শ্বশুর বাড়ি এলাকার সালমান নামের এক শিক্ষার্থীর মাধ্যমে আবিদকে ছাত্রলীগ বাসায় পাঠায়। সালমান ভয়ে কথা বলতে পারছিলোনা। শুধু বলেছিল, আবিদকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছে। আমরা দেখলাম তার গায়ে আঘাতের চিহ্ন আছে। তখন চমেক হাসপাতালে নিয়ে যাই। ছাত্রলীগ মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে দেয়নি। পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিই। সেখান থেকে আবার চমেক রেফার করে। দুই দিন অজ্ঞান থাকার পর ২১ অক্টোবর আবিদকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।’</p>



<p><em>এই</em> <em>প্রতিবেদন</em> <em>১০</em> <em>অক্টোবর</em> <em>২০১৯</em> <em>চট্টগ্রাম</em> <em>প্রতিদিনে</em> <em>প্রকাশিত</em></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://farukmunir.com/2023/10/03/%e0%a6%9a%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আয়াতের খুনি শনাক্ত করে আরিয়ান ও তরী হত্যা মামলায় আশা দেখাচ্ছে পিবিআই</title>
		<link>https://farukmunir.com/2023/09/10/%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86/</link>
					<comments>https://farukmunir.com/2023/09/10/%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Faruk Munir]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 10 Sep 2023 19:52:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Human Rights and Crime]]></category>
		<category><![CDATA[Top News]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://farukmunir.com/?p=1439</guid>

					<description><![CDATA[চট্টগ্রামে শিশু সুরমা, বর্ষা ও আয়াতের খুনিরা খুব দ্রুত শনাক্ত হলেও অজানা রয়ে গেছে শিশু আরিয়ান এবং তরী হত্যার খুনিদের পরিচয়। আরিয়ান হত্যায় দুই বছর সময় গড়ালেও এখনো হয়নি কোনো কূলকিনারা। তরী হত্যাকাণ্ডেরও হয়ে গেছে দেড় বছর। এই দুই হত্যা মামলার তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই। তবে সম্প্রতি শিশু আয়াত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করে &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="https://farukmunir.com/2023/09/10/%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86/"> <span class="screen-reader-text">আয়াতের খুনি শনাক্ত করে আরিয়ান ও তরী হত্যা মামলায় আশা দেখাচ্ছে পিবিআই</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>চট্টগ্রামে শিশু সুরমা, বর্ষা ও আয়াতের খুনিরা খুব দ্রুত শনাক্ত হলেও অজানা রয়ে গেছে শিশু আরিয়ান এবং তরী হত্যার খুনিদের পরিচয়। আরিয়ান হত্যায় দুই বছর সময় গড়ালেও এখনো হয়নি কোনো কূলকিনারা। তরী হত্যাকাণ্ডেরও হয়ে গেছে দেড় বছর। এই দুই হত্যা মামলার তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই। তবে সম্প্রতি শিশু আয়াত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করে আরিয়ান ও তরী হত্যা মামলায় আশা দেখাচ্ছে পিবিআই।</p>
<p>গত বছর ২৭ জুন চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার বাহির সিগন্যাল মোড়ের নিজ বাসায় পাঁচ বছরের শিশু নুসরাত জাহান তরীকে রেখে প্রতিদিনের মতো কর্মস্থলে যান মা ফাতেমা বেগম। দুপুরে ফিরে খাটের নিচে সন্তানের লাশ পান ফাতেমা।</p>
<p>ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ ইমন নামে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছিলো। কিন্তু পিবিআই তদন্তে ডিএনএ প্রোফাইল করে। ডিএনএ প্রোফাইলে ইমনের ডিএনএ’র সাথে না মেলায় পুলিশের তদন্তে নেয় ভিন্ন মোড়।</p>
<p>বিষয়টি নিশ্চিত করে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক (প্রশাসন) আবু জাফর মো. ওমর ফারুক বলেন, তরী হত্যা মামলা আমরা ছায়া তদন্ত করছি। তদন্ত অনেক দূর এগিয়েছে। আশা করছি একটি সফল সমাপ্তিতে শিগগিরই আমরা পৌঁছাবো।</p>
<p>অপর দিকে ২০২০ সালের ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানার শাপলা আবাসিক এলাকার বায়তুল হুদা হাজী সুফিয়ান সাবেরা মাদ্রাসা গলি থেকে নিখোঁজ হয় ৬ বছরের শিশু মেহেরাজ ইসলাম আরিয়ান। ওই রাতেই তার মা মারজান আক্তার পাহাড়তলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।<br />
এরপর বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে হালিশহর থানা পুলিশ দারুল ফুরকান চট্টগ্রাম নামের এক মাদ্রাসার সীমানা প্রাচীর ঘেঁষা প্লটে জমে থাকা পানি থেকে আরিয়ানের লাশ উদ্ধার করে। নিখোঁজ হওয়ার স্থান পাহাড়তলী থানা হলেও শিশুটির লাশ পাওয়া যায় হালিশহর থানা এলাকা থেকে। থানা দুটি হলেও স্থান দুটির দূরত্ব বড়জোর দুই’শ গজ।</p>
<p>আরিয়ানের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল। তার পায়ের জুতোগুলো পায়েই ছিল। তবে ভিসেরা রিপোর্টে যৌন নির্যাতনের বিষয়টি নেগেটিভ ছিল। তদন্ত সম্পৃক্তদের ধারণা, আরিয়ানকে তার নানার বাসার গলি থেকে ফুসলিয়ে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।<br />
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মাসুদ পারভেজ বলেন, মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সম্ভাব্য সবগুলো বিষয়কে সামনে রেখে তদন্ত এগুচ্ছে। আশা করছি খুনিকে আমরা আইনের আওতায় আনতে পারবো।</p>
<p>অপরদিকে গত ১৮ সেপ্টেম্বর নগরীর বন্দর থানা পুলিশ পোর্ট কলোনীর একটি পরিত্যাক্ত ভবন থেকে শিশু সুরমার মরদেহ উদ্ধার করে। ১৩ অক্টোবর রাতে শিশু সুরমার খুনের দায়ে টিম বন্দর থানা রিকশাচালক ওসমান হারুন মিন্টুকে গ্রেপ্তার করে। মিন্টু বিরিয়ানির লোভ দেখিয়ে শিশু সুরমাকে ধর্ষণ ও খুন করেছিল বলে স্বীকার করে।</p>
<p>গত ২৪ অক্টোবর বাসা থেকে ২০ টাকা নিয়ে বিস্কুট কিনতে বের হয়ে আর ঘরে ফেরেনি নগরীর জামালখানস্থ কুসুমকুমারী স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারজানা হক বর্ষা। তিনদিন পর শিকদার হোটেলের পিছনের নালা থেকে শিশু বর্ষার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রভাবশালীরা বর্ষার খুনের ঘটনা ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করা চেষ্টা করলেও তৎকালীন এসি কোতোয়ালী মুজাহিদুল ইসলামের বিচক্ষণতায় টিম কোতোয়ালীর হাতে ওই রাতেই গ্রেপ্তার হয় খুনি লক্ষণ।</p>
<p>পরপর দুই মাসে দুটি শিশুর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর সারাদেশে তুমুল ঝড় তুলে ইপিজেড থানার আলিনা ইসলাম আয়াত অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড। আয়াতকে ফুসলিয়ে নিয়ে তার দেহ ৬ টুকরো করে খুনি আবির আলী।<br />
১৫ নভেম্বর ইপিজেড থানার বন্দরটিলার নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিস এলাকার বাসা থেকে পার্শ্ববর্তী মসজিদে আরবি পড়তে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয় আলিনা ইসলাম আয়াত। পরদিন এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় নিখোঁজের ডায়েরি করেন তার বাবা সোহেল রানা। ইপিজিড থানার পাশাপাশি তদন্তে নামে পিবিআই।<br />
পিবিআই গত ২৪ নভেম্বর রাতে আবিরকে আটকের মাধ্যমে হত্যার রহস্য উন্মোচনের পাশাপাশি সপ্তাহব্যাপী সাগরপাড়ে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করে শিশু আয়াতের শরীর বিভিন্ন অংশ।</p>
<p>শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা রহস্য উন্মোচন এবং খুনিকে আইনের আওতায় আনতে পারায় পিবিআইয়ের প্রতি আস্থার পারদ বেড়েছে আরও এক ধাপ। তাই সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা দেবশিশু আরিয়ান ও তরী হত্যার রহস্যও শিগগির উন্মোচন হবে। দোষীরা আসবে আইনের আওতায়।</p>
<p>তদন্ত সংস্থা পিবিআইয়ের প্রধান ও বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার চট্টগ্রাম খবরকে বলেন, পিবিআই যে কোনো মামলা ত্রুটিমুক্ত তদন্ত করতে সব সময় সচেষ্ট। শিশু আরিয়ান ও তরী হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমাদের টিম কাজ করছে। ভাগ্য সহায় হলে আমরা দোষীদের আইনের মুখোমুখি দাঁড় করাবো।</p>
<p><em>চট্টগ্রাম খবর—২৩ ডিসেম্বর ২০২২</em></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://farukmunir.com/2023/09/10/%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ছাত্রকে ডেকে ব্যথাহীন মৃত্যু চেয়েই ঢলে পড়লেন ডাক্তার এহসান</title>
		<link>https://farukmunir.com/2023/04/10/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%83/</link>
					<comments>https://farukmunir.com/2023/04/10/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%83/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Faruk Munir]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Apr 2023 20:49:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Reporting and Covid Period]]></category>
		<category><![CDATA[Top News]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://farukmunir.com/?p=1453</guid>

					<description><![CDATA[নিজ ছাত্র ডা. নুর উদ্দিনের হাতেই ছিল ডা. এহসানের হাত। ভেন্টিলেটরযুক্ত আইসিইউ স্ক্রিন জানান দিচ্ছিল এহসানের প্রাণপ্রদীপের শেষ সিগন্যাল। নিভে যাওয়ার আগ-মুহুর্তেও ছাত্রের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। ছাত্রকে বলেছেন, পাশে থাকতে। যেন তার যন্ত্রণাহীন মৃত্যু নিশ্চিত হয়। এই কথা বলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন চট্টগ্রামের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এহসানুল করিম। আর এই দৃশ্যের স্মৃতি সারাজীবন &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="https://farukmunir.com/2023/04/10/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%83/"> <span class="screen-reader-text">ছাত্রকে ডেকে ব্যথাহীন মৃত্যু চেয়েই ঢলে পড়লেন ডাক্তার এহসান</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নিজ ছাত্র ডা. নুর উদ্দিনের হাতেই ছিল ডা. এহসানের হাত। ভেন্টিলেটরযুক্ত আইসিইউ স্ক্রিন জানান দিচ্ছিল এহসানের প্রাণপ্রদীপের শেষ সিগন্যাল। নিভে যাওয়ার আগ-মুহুর্তেও ছাত্রের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। ছাত্রকে বলেছেন, পাশে থাকতে। যেন তার যন্ত্রণাহীন মৃত্যু নিশ্চিত হয়। এই কথা বলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন চট্টগ্রামের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এহসানুল করিম।</p>
<p>আর এই দৃশ্যের স্মৃতি সারাজীবন যন্ত্রণা হিসেবেই বয়ে বেড়াতে হবে ডা. এহসানের ছাত্র চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. নুর উদ্দীনকে। কারণ শেষ নিশ্বাস ত্যাগের মুহুর্তে নিজ শিক্ষক ডা. এহসানের হাতে হাত ছিল ডা. নুর উদ্দিনের।</p>
<p>প্রিয় শিক্ষকের মৃত্যু শোকে কাতর হয়ে ফেসবুকে ডা. নুর উদ্দিন লিখেন, ‘নুর উদ্দীন প্লিজ আমার পাশ থেকে সরবেন না। আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে। আমার শেষ চাওয়া আপনি পাশে থেকে থেকে আমার পেইনলেস ডেথ এনশিউর করেন। প্লিজ আমি পেইনলেস ডেথ চাই।’</p>
<p>তিনি লিখেন, ‘ঢলে পড়ার আগে আমার হাত ধরে স্যারের শেষ কথা, আমার যেন আর কষ্ট না হয়, প্লিজ।’</p>
<p>স্যারের প্রতি আবেগের বহিঃপ্রকাশ থেকে ডা. নুর উদ্দিন আরও লিখেন, ‘স্যার সারা জীবন নিঃস্বার্থ ভাবে দিয়ে গেলেন, যাওয়ার বেলায় কেন এত বড় স্বার্থপর হয়ে গেলেন। আমাকে সারা জীবনের জন্য এত বড় মেন্টাল ট্রমা দিয়ে নিজের শেষ চাওয়াটা পূরণ করলেন।’</p>
<p>এ বিষয়ে ডা. নুর উদ্দীন চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে জানান, বুধবার (৩ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় স্যারকে দেখতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেবিনে যাই। স্যার আমার হাত ধরে বললেন, ‘নুর উদ্দীন প্লিজ আমার পাশ থেকে সরবেন না। আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে। আমার শেষ চাওয়া আপনি পাশে থেকে থেকে আমার পেইনলেস ডেথ এনশিওর করেন। প্লিজ আমি পেইনলেস ডেথ চাই। আমার যেন আর কষ্ট না হয় প্লিজ’।</p>
<p>ডা. নুর উদ্দীন আরো জানান, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এহসানুল করিম করোনাভাইরাসে মৃত্যুবরণ করলেও সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর শরীরে ব্লাড ক্যানসারের লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছিল। কিন্তু করোনা পজিটিভ হওয়ায় ক্যানসারের পরীক্ষা-নীরিক্ষা পিছিয়ে যায়। করোনা থেকে সেরে উঠলে ক্যানসারের পরীক্ষাগুলো করানো কথা ছিল। কিন্তু করোনার ভয়াল থাবায় তার আগেই নিভে গেল এই চিকিৎসকের প্রাণপ্রদীপ।</p>
<p>এর আগে বুধবার (৩ জুন) দুপুর ১টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) চিকিৎসাধীন অবস্থান ডা. এহসানুল করিমের (৪২) মৃত্যু হয়। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এহসান চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ এলাকার বেসরকারি মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন। তার করোনা পজিটিভ ছিল।</p>
<p>চট্টগ্রাম প্রতিদিন : ৩  জুন ২০২০</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://farukmunir.com/2023/04/10/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%83/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
